এফ কিউ (সচরাচর জিজ্ঞাসা)

জরিপ কর্মচারী নিয়োগ ১ টি টিমে ৩ জনের জরিপ টিম গঠন করা হয় । জরিপ টিমে সরদার আমিন, বদর আমিন, চেইনম্যান
একটি মৌজায় ৮-১০ টি জরিপ টিম কাজ করে। একটি মৌজায় ৮-১০ টি পি-৭০ সিট এ জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়।
কিস্তোয়ার বিধি-২৭ ১টি ফাকা পি -৭০ সিট একজন সরদার আমিন কে ধরিয়ে দেয়া হয়।তিনি মৌজার উত্তর পশ্চিম কোন থেকে জমির প্লট বিবেচনায় মাপজোখ করেন এবং পি-৭০ সিট প্লটিং করেন। প্লটিং শেষে তিনি তার সিট হলকা অফিসারের নিকট জমা করেন। হলকা অফিসার একজন উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ কানুনগো।
এরিয়া পরিমাপ হলকা অফিসার মৌজাওয়ারী সকল পি-৭০ সিট সংগ্রহ করে কাছে পেশ করেন দাগ অনুযায়ী জমির পরিমাণ পরিমাপের জন্য। টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার প্রতি সিট ৩ জনের কাছে পরিমাপ করতে দেন এবং ৩ জনের দেয়া ফলাফল গড় করে প্লট/দাগ অনুযায়ী জমির পরিমাণ নির্ধারণ করে আবারও হলকা অফিসারকে সিটগুলো ফেরত দেন।
খানাপুরি হলকা অফিসার ম্যাপের দাগ সংখ্যার উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত কিছু দাগ যোগ করে সরদার আমিনকে সরবরাহ করেন। জমির পরিমাণ সহ ম্যাপ সিট এবং খালি খতিয়ান ফরম নিয়ে সরদার আমিন খানাপুরির জন্য মাঠে গমন করেন। একই সরদার আমিন দল একই ম্যাপ সিট নিয়ে খানাপুরির। সরদার আমিন প্রতিটি দাগের মাঝখানে দাড়িয়ে খানাপুরির কাজ করেন। সেখানে সাবেক দাগ, হাল দাগ, শ্রেনী, দখলকার লিখে খতিয়ান খোলেন। প্রত্যেক সরদার আমিন প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ টি দাগের খতিয়ান খুলবেন। কাল কালিতে খতিয়ান খোলা এবং খানাপুরির কাজ করা হয়।ম্যাপ সিট খানাপুরির কাজ সম্পন্ন করা হলে আমিন তা হলকা অফিসারের কাছে জমা করেন। হলকা অফিসার রেকর্ড কিপারের কাছে তা জমা করেন। রেকর্ড কিপার তা টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজারের কাছে জমা করেন।
বুঝারত বুঝারত করার জন্য আলাদা সরদার আমিনকে নিয়োগ করা হয়। ব্যক্তির জমির পরিমাণ যাচাই করে খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করা হয়। বুঝারত করা হয় সবুজ কালিতে। এরিয়া কমবেশী হলে বদর আমিন এর মাধ্যমে তা পুনরায় মেপে সঠিক করা যায়। এস্তরে জনসাধারণকে খতিয়ান সরবরাহ করা হয় কোন ফি লাগেনা। বুঝারত কাজ শেষ হলে তা হলকা অফিসারের কাছে জমা করা হয়। হলকা অফিসার রেকর্ড কিপারের কাছে তা জমা করেন।
এটেস্টেশন বিধি-২৮ পূবে থেকে এটেস্টেশন এর প্রতিদিনকার সময়সূচী খতিয়ানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়। সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারগণ  এটেস্টেশন করে থাকেন। এটেস্টেশন কাজে মূলত জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখে মালিকানা নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে েইতোপূর্বেকার প্রিন্ট করা খতিয়ান ও সাথে করে নিয়ে যান যাতে জমির মালিকানার বিষয়ে সত্য মিথ্যা জানা যায়। কোন মালিক যদি খানাপুরি ও বুঝারত স্টেজে অনুপস্থিত থাকেন তবে পূবের খতিয়ানের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করা হয়।প্রতিদিনের প্রমাপ ১৫ টি মামলা। টেবিল ডায়েরীতে নিস্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করা হয়। ইনস্পেকশনেএর সময় টেবিল ডায়েরীর সাথে কেস ফাইলের আদেশ মিল করালেই ফাকি ধরা পড়ে।
খসড়া প্রকাশ বিধি-২৯ খতিয়ান খোলার ১ মাস পযন্ত জনসাধারণের জন্য তা উন্মুক্ত রাখা হয়।
আপত্তি বিধি-৩০ খসড়া প্রকাশের মধে কোন ভূলভ্রান্তি হলে আপত্তি পড়ে এবং তা কেস দাখিলের মাধ্যমে এবং উভয় পক্ষের শুনানী গ্রহণের মাধ্যমে নিস্পত্তি করা হয়।
আপীল বিধি-৩১ আপত্তি তে কেহ সংক্ষুব্ধ হলে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা হয়।
চুড়ান্ত রেকর্ড প্রস্ততবিধি-৩২ সকল আদেশ তামিলের পর চুড়ান্ত রেকর্ড প্রস্তত প্রস্তত ও প্রকাশ করা হয়।
৪২ (ক) জেডএসও সংশোধন করার আদেশ দেন কিন্ত তা হতে হবে চুড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশ করার পূর্বে।
৪২ (খ) জেডএসও সংশোধন করার আদেশ দেন কিন্ত তা হতে হবে চুড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশ করার পূর্বে।